
প্রাথমিক আলোচনা
গ্রাহকের লক্ষ্য, ভবনের ব্যবহার, অবস্থান, সময় এবং বিদ্যমান সমস্যা বুঝে নেওয়া। পরবর্তী ধাপে প্রয়োজন হবে এমন তথ্যের ঘাটতি চিহ্নিত করা।
একটি সুশৃঙ্খল প্রকল্পের সূচনা হয় চাহিদা শোনা, তথ্য নথিভুক্ত করা এবং কাজ পরিচালনার পদ্ধতি ঠিক করার মাধ্যমে।
প্রকল্পের চুক্তি ও জটিলতা অনুযায়ী কাজ, দায়িত্ব ও সিদ্ধান্তের ধাপ আলাদা হতে পারে।

গ্রাহকের লক্ষ্য, ভবনের ব্যবহার, অবস্থান, সময় এবং বিদ্যমান সমস্যা বুঝে নেওয়া। পরবর্তী ধাপে প্রয়োজন হবে এমন তথ্যের ঘাটতি চিহ্নিত করা।

সাইটের পরিমাপ, প্রবেশপথ, বিদ্যমান ইউটিলিটি, পরিবেশগত সীমাবদ্ধতা ও প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করা।

স্থানবিন্যাস, কাঠামো, ভবনসেবা ও প্রযুক্তিগত প্রয়োজন মিলিয়ে দেখা; প্রয়োজনে যোগ্য বিশেষজ্ঞের সহায়তা নেওয়া।

কাজের অন্তর্ভুক্ত ও বাদ থাকা অংশ, উপকরণের ভিত্তি, সময়ের নির্ভরতা ও বাণিজ্যিক শর্ত স্পষ্ট করা।

সম্মত কাজের ক্রম, উপকরণ সংগ্রহ, বিভিন্ন ট্রেড, অস্থায়ী ব্যবস্থা ও নিরাপদ প্রবেশপথ পরিচালনা।

প্রয়োজনীয় পরিদর্শন, অনুমোদিত উপকরণ, আড়ালে থাকা কাজ এবং সংশোধনের বিষয় পর্যায়ক্রমে যাচাই করা।

বাকি কাজের তালিকা, পরীক্ষা, নির্দেশিকা, কাজ সম্পন্নের নথি এবং হস্তান্তরের পরিদর্শন সম্পন্ন করা।

রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন, চুক্তিতে থাকা ওয়ারেন্টি এবং সম্মত পরবর্তী সহায়তা নিয়ে আলোচনা।
ব্যবহারের উদ্দেশ্য, চাহিদা ও প্রাথমিক ধারণা।
সম্মত ড্রয়িং, স্পেসিফিকেশন ও পরিবর্তন।
মান যাচাই, সংশোধন ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার ফল।
কাজের সমাপ্তি, ব্যবহারবিধি ও প্রয়োজনীয় নথি।
প্রকল্পের অবস্থান, কাজের বিবরণ, নকশা এবং সম্ভাব্য সময় জানান। আমরা আপনার চাহিদা পর্যালোচনা করে পরবর্তী ধাপ নিয়ে আলোচনা করতে পারব।